নবী মুহাম্মদ ছিলেন একজন ধর্মদ্রোহী, যৌনাচারী ও পৌত্তলিক। ইসলামিক বিভিন্ন সূত্রগুলোর উদ্ধৃতিগুলো বলছে, নবী মুহাম্মদ পূর্বপুরুষদের ধর্ম, এগুলো সম্পর্কে অবমাননাকর কটূক্তি, অশ্লীলতা ছড়ানো এবং নিজস্ব প্রভাব-আধিপত্য বিস্তারে প্রচলিত ধর্মের সমালোচনার মধ্য দিয়েই ইসলামের প্রচার শুরু করেন।
ধূর্ত মুহাম্মদ ৪০ বছর বয়সী মক্কার সম্পদশালী নারী খাদিজাকে ব্যবহার করেন নিজের উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়নে। নবী মুহাম্মদের খাদিজার মৃত্যু-পরবর্তী সময়ে একাধিক বিয়ে করেন এবং তাঁর স্ত্রী সংখ্যা ছিল ১১। এবং বাড়িতে আরও ২ জন যৌন দাসী রেখেছিলেন। তাঁর যৌন শক্তি ছিল ৩০ জন পুরুষের সমান। অপরদিকে, বিধবা খাদিজার অনন্ত যৌন ক্ষুধা ও মুহাম্মদের লীলাময় যৌন জীবন খাদিজাকে আসক্ত করে রেখেছিল। এমন বাস্তবতায় পৌত্তলিক মুহাম্মদ খাদিজার নিভে-আসা যৌবনে কখনোই সুখী ছিলেন না।
এমন একজন ব্যাভিচারী নবী মুহাম্মদের ইসলাম প্রচার এবং এই ইসলাম প্রচারের যাত্রাপথ, এবং তাঁর অনুসারীদের জিহাদের নামে লুটতরাজ, যুদ্ধে বন্দিনীদের ওপর যৌন নির্যাতন, তাঁদের দাসী বানিয়ে নিজস্ব কামনাবাসনায় রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিই ছিল ১৪০০ বছর আগে গোড়াপত্তন হওয়া ইসলাম। এবং আজকের বর্তমান সময়ে যে ধরনের তালেবানি রাষ্ট্রব্যবস্থা, শরিয়াহ আইন, ইসলামী উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ ও চরমপন্থার উত্থানের গল্প দৃশ্যমান হয়; এটিই নবী মুহাম্মদের ইসলাম।
বাংলাদেশেও ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে যৌনাচারী এ নবীর ইসলাম ও শরিয়া আইনকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে রূপ দিতে তৎপর ধর্মান্ধ উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো। বর্তমানে জাতীয় সংসদে তাদের অবস্থান ক্ষমতার প্যারালালে। জামায়াতে ইসলামী, খেলাফতে মজলিশের মতো দলগুলো এখন শরিয়াহ আইনের বয়ান উৎপাদন করছে।
যে শরিয়া আইনের মধ্য দিয়ে খেলাফতে মজলিশের আল্লামা মামুনুল হকের মতো মাদ্রাসায় বলাৎকারকারী পায়ু যোদ্ধাদের রাতের অন্ধকারে বিনা বিচারে অবমুক্ত করে দেওয়া যায়। তাঁদের নবী মুহাম্মদ যেভাবে নিজের পালিত পুত্র জায়েদের সুন্দরী স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, ঠিক একইভাবে মামুনুল হক নিজ বন্ধুর স্ত্রীর সাথে ঢাকার নারায়ণগঞ্জের এক রিসোর্ট থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নগ্ন অবস্থায় প্রকাশিত হয় যৌনমিলনের সময়। এমনকি বর্তমান সংসদে ১৯৭১-এ নারীর সম্ভ্রম যারা হনন করেছে, জামায়াতে ইসলামীর শুকরের ছানাগুলোও গ্রুপ সেক্সের মধ্য দিয়ে এনপিসির নব্য সন্তানদের পয়দা করে জাতীয় সংসদকে কলুষিত করেছে।
ধর্মীয় চরমপন্থা ও উগ্রবাদের মধ্য দিয়ে যে গোষ্ঠীগুলো দেশকে আইয়ামে জাহেলিয়াত বা তালেবানি রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্নে বিভোর; এদের রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ করে সকল ধরনের ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে চিরতরে নির্বাসনে পাঠাতে হবে।
